ওষুধের দোকানে কাজ করতেন তরুনী পারাশতেশ দাহাঘিন। বিস্ফোরণের আঘাতে মারা যাওয়ার সময় তিনি কাজেই ব্যস্ত ছিলেন।
বেরিভান মোলানির মাথায় যখন বিস্ফোরণের অভিঘাতে ধ্বংসস্তূপ এসে পড়ে, তখন তিনি বিছানায় শুয়ে ছিলেন।
গত তিন সপ্তাহে তেহরান সহ ইরানের নানা শহরে বার বার আকাশ পথে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলি বাহিনী। গোটা দেশ জুড়ে কয়েক হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হানা দিয়েছে সেই সব ক্ষেপণাস্ত্র।
এই সব হামলাগুলোতে শুধুই যে প্রাপ্তবয়স্ক বেসামরিক মানুষরা নিহত হয়েছেন, তা নয়। ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর শারদাশতে এরকমই এক হামলায় আহত হওয়ার একদিন পরে মারা গেছে তিন বছরের শিশু এইলমাহ্ বিল্কি।
বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার তালিকাটা দ্রুত দীর্ঘ হচ্ছে, তাদের মধ্যে অনেকের কথা কখনই হয়ত জানা যাবে না।
তবে যুদ্ধের কালো ধোঁয়া ওঠা আর ইন্টারনেট বন্ধ থাকা ইরানের অভ্যন্তর থেকে সামান্যই তথ্য বাইরে বেরিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল ইরানের ওপরে যে যুদ্ধ চালাচ্ছে, তাতে নিহত বেসামরিক মানুষদের হাতে গোনা কয়েকজনের নামই এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে।
তেহরানের আপাদানা এলাকার ওষুধের দোকানে যখন কাজ করছিলেন পারাশতেশ দাহাঘিন, তার কাছেই একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার অফিস ভবনে হামলা হয়। ইরানের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ডকুমেন্টেশন সেন্টার জানাচ্ছে যে, সম্ভবত ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে ওই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটি যুক্ত ছিল।
অনলাইনে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মিজ. দাহাঘিনের একটি বাঁধানো ছবি, তার চারদিকে মোমবাতি জ্বলছে, আর ফুল রাখা আছে। শোকাহত আত্মীয় পরিজন আর সুহৃদরাও রয়েছেন ওই ভিডিওতে।
সূত্র: BBC Bangla
ক্যাটাগরি: জাতীয়